পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের গইচপাড়া এলাকায় এক নারীর ঘর থেকে জহিরুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর দাবি, জহিরুল ইসলামের আগে চারটি বিয়ে রয়েছে। এছাড়া তিনি স্থানীয়ভাবে জামায়াতের সমর্থক হিসেবে পরিচিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৩ আগস্ট) রাত প্রায় ১১টার দিকে বনগ্রাম এলাকার বাসিন্দা জহিরুল ইসলামকে গইচপাড়া এলাকার এক নারীর ঘর থেকে আটক করেন স্থানীয়রা। পরে তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজিত জনতার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জহিরুল ইসলাম ও ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
পুলিশ জানায়, সংবাদ লেখা পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জহিরুল ইসলামকে জামায়াতের কর্মী বা সমর্থক হিসেবে বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও জেলা জামায়াতের প্রচার বিভাগের প্রধান শহিদুল ইসলাম বলেন, জহিরুল ইসলাম দলের কোনো সদস্য নন। তার ভাষ্য, তিনি কেবল একজন সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন; সাংগঠনিকভাবে তার কোনো পদ বা সদস্যপদ নেই।

পঞ্চগড় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোখলেছ জানান, “নারী ও পুরুষ উভয়কেই উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। বর্তমানে তারা থানায় রয়েছেন। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *