‘এবং’ ডেস্ক নিউজঃ রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মী ইব্রাহীম পলাশ হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন করেছে সবুজবাগ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার ও আত্মসমর্পণের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

সবুজবাগ থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ০৮:১০ ঘটিকায় সবুজবাগ থানাধীন রাজারবাগ বাগপাড়া পানির পাম্প সংলগ্ন এলাকায় মোস্তফা হোসেন রয়েল (৩৭)-এর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী প্রকাশ্যে বিএনপি কর্মী ইব্রাহীম পলাশের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় তার দুই হাত বিচ্ছিন্ন করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

সবুজবাগ থানা সূত্রে আরও জানা যায়, ঘটনার পরপরই সবুজবাগ থানা পুলিশ ২২ জুলাই যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত নাঈম (২৫)-কে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার দেখানো মতে ভিকটিমের বিচ্ছিন্ন একটি হাত এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বড় ছোরা উদ্ধার করা হয়। পরদিন ২৩ জুলাই নাঈম ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পরবর্তীতে ধারাবাহিক অভিযানে ২৭ জুলাই ময়মনসিংহ এলাকা থেকে পলাতক আসামি আলী (২৯)-কে গ্রেফতার করা হয়। ২৮ জুলাই সেও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

মামলার প্রধান আসামি মোস্তফা হোসেন রয়েল (৩৭) এবং সবুজ (৩৮) গত ২৬ জুলাই বিজ্ঞ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিজ্ঞ আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে আদালতের অনুমতিক্রমে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মোস্তফা হোসেন রয়েলের দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আরও একটি বড় ছোরা উদ্ধার করা হয়।

মোস্তফা হোসেন রয়েল গত ৩১ জুলাই এবং সবুজ ৩ আগস্ট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *