মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বিশেষ আলোচনার আয়োজন করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই প্রস্তাব দেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে বোমা হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করার একদিন পরেই শেহবাজ শরীফের এই চাঞ্চল্যকর বিবৃতি সামনে এলো। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ অবসানের যেকোনো সংলাপ প্রচেষ্টাকে পাকিস্তান স্বাগত জানায় এবং পূর্ণ সমর্থন করে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্মতি থাকলে পাকিস্তান একটি পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তির জন্য অর্থপূর্ণ আলোচনার আয়োজক হতে প্রস্তুত ও সম্মানিত বোধ করবে।”
ইসলামাবাদ কি হবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু? সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে, মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে ইসলামাবাদের নাম বিবেচনা করা হচ্ছে। যদিও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এফও) এই বিষয়ে জল্পনা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করেছে, তবে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি প্রস্তাব সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ওমান মধ্যস্থতার চেষ্টা করলেও হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে পাকিস্তানের এই প্রস্তাব বিশ্ব রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
সূত্র: ডন
