অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, এমপি বলেন, “শিক্ষার মৌলিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে মাঠপর্যায়ে সেগুলোর সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। ইউনিসেফ ও ইনোচেন্টি-এর এই প্রমাণভিত্তিক তথ্যগুলো আমাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাসংস্কারের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আরও বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। তারা বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠে বাস্তবমুখী ও কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশে ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া তার বক্তব্যে বলেন, “ইনোচেন্টি-এর এই বৈশ্বিক গবেষণা ও স্থানীয় বাস্তবায়নের সমন্বয় আমাদের দেখিয়েছে যে প্রতিটি শিশুর সামর্থ্য অনুযায়ী পাঠদান নিশ্চিত করা গেলে আমরা একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারব। ইউনিসেফ ও ইনোচেন্টি সবসময় বাংলাদেশের শিশুদের জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারের পাশে আছে।”
সেমিনারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ডিএসএইচই (DSHE), এনসিটিবি (NCTB) এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো সহ বিভিন্ন জাতীয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও শিক্ষা গবেষকরা অংশ নেন।
