দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ‘সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন’ (সাফ)-এর নেতৃত্বে আরও এক মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক তারকা ফুটবলার ও সংগঠক কাজী মো. সালাউদ্দিন।
শনিবার (১ আগস্ট) ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে অনুষ্ঠিত সাফ কংগ্রেসে তাকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুনরায় সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর মাধ্যমে ২০০৯ সাল থেকে আঞ্চলিক ফুটবলের শীর্ষ সংস্থায় সালাউদ্দিনের নিরবচ্ছিন্ন নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রইল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতির দায়িত্ব থেকে সালাউদ্দিন সরে দাঁড়ালেও আঞ্চলিক ফুটবল রাজনীতিতে তার শক্ত প্রভাব অপরিবর্তিত থাকে। ইতিপূর্বে সাফের গঠনতন্ত্রে সভাপতির মেয়াদকাল ও বয়সসীমার বাধ্যবাধকতা থাকলেও গত বছর এক বিশেষ সংশোধনীতে সেই সীমাবদ্ধতাগুলো বিলুপ্ত করা হয়, যা তার পথকে সুগম করে।
এবারের নির্বাচনে সালাউদ্দিন সরাসরি বাফুফের প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন নেননি; বরং তিনি অল নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ANFA) এবং ভুটান ফুটবল ফেডারেশনের (BFF) আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন ও সমর্থন নিয়ে প্রার্থিতা জমা দেন। নির্ধারিত সময়ে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় কংগ্রেসে তা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পায়। একই সাধারণ সভায় বাফুফের বর্তমান সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ আরেফ সাফের নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
ঝুলছে নেপালের ভাগ্য একই কংগ্রেসে নেপালকে কেন্দ্র করে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ফিফার বর্তমান নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ে নেপাল আন্তর্জাতিক ফুটবলীয় কর্মকাণ্ডের বাইরে রয়েছে। সাফ কর্তৃপক্ষ নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে।
যদি এই সময়ের মধ্যে নেপাল ফিফার নিষেধাজ্ঞা মুক্ত হতে পারে, তবেই তারা আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মাঠে নামার অনুমতি পাবে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে নেপালকে স্বাগতিক বাংলাদেশের গ্রুপেই অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের শীর্ষ এই সংস্থাটি।
