রাজনৈতিক অস্থিরতা ও রমজানের স্থবিরতা কাটিয়ে স্বরূপে ফিরছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার। আসন্ন ঈদুল ফিতরের টানা ৭ দিনের ছুটিতে সৈকতে ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। এতে স্থবির হয়ে পড়া পর্যটন অর্থনীতিতে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার বাণিজ্য হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট মালিকদের তথ্যমতে, ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। পাঁচ শতাধিক হোটেল-রিসোর্টের দৈনিক ধারণক্ষমতা দেড় লাখের কাছাকাছি হলেও ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা বুকিং রয়েছে অনেক তারকা মানের হোটেলে। পর্যটকদের বাড়তি আনন্দ দিতে ডিজে শো ও বিশেষ খাবারের আয়োজনও রাখছে বড় হোটেলগুলো।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত দেড় মাস কক্সবাজার প্রায় পর্যটকশূন্য ছিল। কিটকট চেয়ার ব্যবসায়ী, ফটোগ্রাফার, শুঁটকি বিক্রেতা থেকে শুরু করে জীপচালকরাও চরম লোকসানে ছিলেন। এখন সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সৈকত তীরের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও নতুন করে মালামাল মজুদ ও প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গোসল করতে নেমে দুর্ঘটনা এড়াতে ২৭ জন লাইফগার্ডের পাশাপাশি ১৫ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানিয়েছেন, হোটেল ভাড়া বা খাবারের অতিরিক্ত দাম আদায় রোধে মাঠে থাকবে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত।
