আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সারজিস আলম ও নওশাদকে শোকজ
Newsআসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পঞ্চগড়-১ আসনের দুই প্রার্থীকে পৃথকভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন: ১০ দলীয় জোটের শাপলা কলির প্রার্থী সারজিস আলম এবং বিএনপির ধানের শীষ প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মো. সায়েমুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নোটিশে বলা হয়েছে, সারজিস আলম গত ২৩ জানুয়ারি নির্বাচনী জনসভায় তার জোটের প্রধানকে স্বাগত জানিয়ে তোরণ, বিলবোর্ড ও ব্যানার স্থাপন করেন। তবে নির্বাচনী আচরণবিধি ২০২৫-এর বিধি ৭(চ) অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী কেবল নিজ দলীয় প্রধানের ছবি ও প্রচারণার সামগ্রী ব্যবহার করতে পারবেন। অন্য দলের প্রধানের ছবি ব্যবহার করে ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন করা এবং তিনটি তোরণ তৈরি করা আচরণবিধির লঙ্ঘন। এছাড়া ফেসবুক আইডি রিটার্নিং অফিসারে দাখিল না করেই প্রচারণা চালানোও বিধি লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অপরদিকে, বিএনপি প্রার্থী নওশাদ জমিরের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, ২৩ জানুয়ারি বিকেল থেকে পঞ্চগড় পৌর এলাকায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও পৌরসভার তদারকিতে অভিযানের সময় তার কর্মী ও সমর্থকেরা একাধিক আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, করতোয়া ব্রিজের দুই পাশে অবৈধ ফেস্টুন স্থাপন, অনুমোদিত আকারের পরিবর্তে বড় ফেস্টুন ব্যবহার, ফেসবুক আইডি দাখিল না করা, গভীর রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবৈধ জমায়েত এবং সরকারি গণভোট প্রচারণার ব্যানার ছেঁড়ার হুমকি।
উভয় প্রার্থীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিজে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করতে বলা হয়েছে। সময়মতো জবাব না দিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, “উভয় প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। শোকজের মাধ্যমে তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।”
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো প্রার্থী মন্তব্য করেননি।
