ইরানে হামলার জন্য ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিলেন কিয়ার স্টারমার
Featured, Latest, News, Politics, Popular, Trending #abongtv, #Starmer, #Trump, #WorldPoliticsইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে ‘প্রতিরক্ষামূলক’ হামলার লক্ষ্যে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের মার্কিন অনুরোধে সম্মতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। রোববার (১ মার্চ) রাতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, যুক্তরাজ্য অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছে এবং সরাসরি কোনো আক্রমণাত্মক অভিযানে অংশ নেবে না।
এক ভিডিও বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী স্টারমার বলেন, মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার তাগিদেই মার্কিন অনুরোধ রক্ষা করা হয়েছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাজ্য ইরাক যুদ্ধের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছে। ইরানকে লক্ষ্য করে চালানো প্রাথমিক হামলায় ব্রিটেন জড়িত ছিল না এবং ভবিষ্যতেও কোনো আক্রমণাত্মক পদক্ষেপে তারা সরাসরি যোগ দেবে না।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করতে যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড (RAF Fairford) এবং ভারত মহাসাগরে অবস্থিত দিয়েগো গার্সিয়া (Diego Garcia) ঘাঁটি ব্যবহার করতে পারে। অতীতেও দীর্ঘ পাল্লার ভারী বোমা হামলার জন্য পেন্টাগন এই ঘাঁটি দুটি ব্যবহার করেছিল। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন মেনেই নেওয়া হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত আইনি পরামর্শের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করেছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার যখন ঘোষণা দিলেন যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছেন, তার ঠিক কয়েক ঘণ্টা পরেই সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটিশ বিমান বাহিনীর (RAF) একটি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ড্রোনটি কোথা থেকে ছোড়া হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
যুক্তরাজ্যের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছেঃ-
যুক্তরাজ্যের সংস্কার নেতা নাইজেল ফ্যারেজ বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত ‘কখনো না হওয়ার চেয়ে দেরিতে হওয়া ভালো’। তবে তিনি স্টারমারকে ‘নেতা’ নয় বরং একজন ‘অনুসারী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
লিবারেল ডেমোক্র্যাট দলটি দাবি করেছে যে, ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার আগে সংসদ সদস্যদের (MP) মতামত নেওয়া উচিত ছিল।
অবশ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই জানিয়েছিলেন, ইরান যদি চুক্তিতে না আসে তবে আরএএফ ফেয়ারফোর্ড এবং ডিয়েগো গার্সিয়া ব্যবহার করা আমেরিকার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে।
