মালয়েশিয়ার বিডোর অস্থায়ী ইমিগ্রেশন ক্যাম্পে (Depot Imigresen Sementara Bidor) ডিটেনশন সেন্টারে থাকা ১৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশির সাথে সাক্ষাৎ করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধি দল। গত ২৭ এপ্রিল (২০২৬) পরিচালিত এই পরিদর্শনে কর্মীদের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি তাদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিয়ে ক্যাম্প কর্তৃপক্ষের সাথে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে হাইকমিশন প্রতিনিধি দল ক্যাম্পে থাকা কর্মীদের জন্য পরিবারের সাথে সরাসরি কথা বলার বিশেষ ব্যবস্থা করে। তবে নাজমুল হাসান নামের একজন কর্মী নিজের ঠিকানা ও পরিবারের ফোন নম্বর সঠিকভাবে বলতে না পারায় জটিলতা তৈরি হয়। পরবর্তীতে চট্টগ্রামের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিশেষ সহায়তায় তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। চট্টগ্রামের দারুল মা’রিফ ইসলামিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক জনাব মাহমুদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নাজমুলের পরিবারের সন্ধান পাওয়া যায় এবং ভিডিও কলে তাদের সাথে কথা বলিয়ে দেওয়া হয়।
সাক্ষাৎকার শেষে প্রতিনিধি দল ক্যাম্প কমান্ডারের সাথে বৈঠকে বসেন। বৈঠকে কর্মীদের প্রতি মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। ক্যাম্প কর্তৃপক্ষ প্রতিনিধি দলকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন এবং এই বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন।
সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাপশন (Facebook/Instagram)
ক্যাপশন ১ (মানবিক ও আবেগপ্রবণ): বিদেশের ডিটেনশন ক্যাম্পেও পরম মমতায় প্রবাসীদের পাশে বাংলাদেশ হাইকমিশন। ❤️ মালয়েশিয়ার বিডোর ক্যাম্পে থাকা ১৬ জন কর্মীর সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের পরিবারের সাথে কথা বলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে ঠিকানা ভুলে যাওয়া নাজমুল হাসানের পরিবারকে চট্টগ্রামের এক মাদ্রাসা শিক্ষকের সহায়তায় খুঁজে বের করা হয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পরিবারের সাথে কথা বলতে পেরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রবাসীরা। শীঘ্রই তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। 🇧🇩✈️
ক্যাপশন ২ (তথ্যবহুল): মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সুরক্ষায় সচেষ্ট বাংলাদেশ হাইকমিশন। বিডোর ইমিগ্রেশন ক্যাম্পে থাকা বাংলাদেশিদের শারীরিক অবস্থা ও সমস্যাগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। ক্যাম্প কমান্ডারের সাথে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার আশ্বাস পাওয়া গেছে। প্রবাসীদের নিরাপত্তায় আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
