দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন দলের মহাসচিব এবং বর্তমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে এই পদে মনোনীত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

রোববার (৯ আগস্ট) বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম চূড়ান্ত করার বিষয়ে দলীয় প্রধানের সম্মতি পাওয়া গেছে।

এর আগে ১ আগস্ট বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত করার সার্বিক ক্ষমতা এককভাবে চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করা হয়। সে অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক জ্যেষ্ঠতা বিবেচনায় মির্জা ফখরুলকেই রাষ্ট্রপ্রধান পদে বেছে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে শুরু করেছে ক্ষমতাসীন দলটি। রোববার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে বিএনপির প্রতিনিধি দল। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী ইসি থেকে এ মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে। জাতীয় সংসদে বিএনপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা নিশ্চিত বললেই চলে।

ইসির সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একমাত্র বৈধ প্রার্থী হিসেবে থেকে গেলে ভোটে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। সেক্ষেত্রে নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *