বগুড়ার শাজাহানপুরে গ্রীন গার্ডেন রিসোর্টে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের ৩জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার ও লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধা*র

জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), বগুড়ার বিশেষ অভিযানে “গ্রীন গার্ডেন” নামক রিসোর্টে সংঘোটিত ক্লুলেস ডাকাতির ঘনায় সংদ্ধ ডাকাত চক্রের ০৩(তিন) জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার ও ডাকাতির ঘটনায় লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করেছে।
২৯জুলাই ২০২৬ দিবাগত রাত্রি সাড়ে ১২ টার সময় কতিপয় দুর্বৃত্তরা শাজাহানপুর থানাধীন জামাদারপুকুর নামক স্থানে গ্রীন হাউজিং এন্ড এনার্জি লিমিটেড এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান “গ্রীন গার্ডেন” নামক রিসোর্টের তালা ভাঙ্গে প্রবেশ করে উক্ত রিসোর্টের কর্তব্যরত গার্ড ও কর্মীদের চড় থাপ্পর মেরে তাদের প্রা-ণ নাশের হুকি দিয়ে হাত পা বেধে রিসোর্টের ২০টি ওয়াল ফ্যান, ০১টি গ্যাসের চুলা,০১টি ১২ ভোল্টের বড় লুকাস ব্যাটারি এবং ০১টি কারেন্টের পোলের সঙ্গে সংযুক্ত ০৩ (তিন) টি ট্রান্সফারমার হইতে বৈদ্যুতিক কয়েল, যার আনুমানিক মূল্য ৩,৭৬,৫০০/-(তিনলক্ষ ছিয়াত্তর হাজার পাঁচশত) টাকার মালামাল লুন্ঠন করে নিয়ে যায়। এই সংক্রান্তে শাজাহানপুর থানার এফআইআর নং- ০৩, তারিখ- ০১ আগষ্ট, ২০২৬; জি আর নং-২১৫, ধারা- 457/382 The Penal Code 1860; রুজু হয়।

এর প্রেক্ষিতে বগুড়া জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মির্জা সায়েম মাহমুদ, পিপিএম মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), বগুড়ার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার-এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ ফজলুল হক এর নেতৃত্বে একটি টিম ১১ আগস্ট ২০২৬ মঙ্গবার ভোর ০৩.৪৫ ঘটিকার সময় বগুড়া জেলার শেরপুর, শাজাহানপুর ও সদর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান করে মোঃ আল আমিন (৪১), পিতা-মোঃ আব্দুল মালেক, সাং-সরদারপাড়া, থানা-শাজাহানপুর, জেলা- বগুড়াকে গ্রেফতার করে তার দেওয়া তথ্যে মতে একই তারিখে আসামী মোঃ বাবলু প্রাং (৫০), পিতা-নায়েব আলী, সাং-পূর্ব গোদারপাড়া, থানা-বগুড়া সদর, জেলা-বগুড়াকে গ্রেফতার পূর্বক তার শয়ন কক্ষ হতে ০৩ (তিন) টি সাদা রংয়ের পুরাতন ওয়াল ফ্যান এবং আসামী বাবলু এর স্বীকারোক্তি মোতাবেক বগুড়া সদর থানাধীন মাটিডালী বিমান মোড়স্থ মোঃ মানসুরা ষ্টোর এর ভাংড়ির দোকান হইতে একই তারিখে ১১.৫৫ ঘটিকার সময় মোঃ তামিম হাসান হৃদয় (২৫), পিতা-মৃত আমদ আলী সরকার, সাং-নাকালিয়া, থানা-বেরা, জেলা-পাবনাকে গ্রেফতার করে তার স্বীকারোক্তি ও বাহির করিয়া দেওয়া মতে ৪২ (বিয়াল্লিস) কেজি তামার তার যাহা বৈদু্তিক ট্রান্সফরমে রক্ষিত থাকে উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। আসামীগণ আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সক্রীয় সদস্য। তাহারা প্রায়ই বিভিন্ন এলাকায়, চুরি/ডাকাতি সহ বিভিন্ন অরামূক কর্মকান্ড ঘটাইয়া আসিতেছিল।

১নং আসামী আল আমিন এর নামে ০১টি চোরাচালান ও ০১টি বিস্ফোক মামলা এবং ২নং আসামী বাবলু প্রাং এর নামে মাদক, চুরি ও অস্ত্রস*হ মোট ০৬টি মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *