প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, নারী শিক্ষার প্রসারে এখন থেকে দেশে মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক করা হবে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে যশোর ঈদগাহ ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মা-বোনদের শিক্ষিত করতে প্রথমে মাধ্যমিক এবং পরে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করেছিলেন। তাঁর সেই অসমাপ্ত কাজ পূর্ণ করতে আমরা এখন থেকে মেয়েদের ডিগ্রি পর্যন্ত পড়াশোনা বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
নারীদের কল্যাণে নতুন পদক্ষেপের কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে এক কোটি মানুষের কাছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়া হবে এবং রান্নার কষ্ট লাঘবে চালু করা হবে ‘এলপিজি গ্যাস কার্ড’। এছাড়া আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া কল-কারখানাগুলো পুনরায় চালুর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
রাজনৈতিক প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দেশে আর কাউকে জনগণের শান্তি বিঘ্নিত করে হরতাল করার সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি বিরোধীদের সমালোচনা করে বলেন, “যারা অতীতে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে, তারা এখনও গোপনে বৈঠক করে ষড়যন্ত্র করছে। দেশবাসীকে এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।”
জনসভার আগে প্রধানমন্ত্রী যশোরে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ঐতিহাসিক উলশী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনসহ বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সূচনা করেন। জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে জনসভায় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা বক্তব্য রাখেন।
