নিহত পিতা আলী খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে সোমবার ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোজতবা খামেনি। ৫৬ বছর বয়সী এই শিয়া আলেমের হাতে ক্ষমতা যাওয়ায় তেহরানের রাজনীতিতে কট্টরপন্থীদের অবস্থান আরও সুসংহত হলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই নিয়োগের পর মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার আশা ক্ষীণ হয়ে পড়েছে।
মোজতবা খামেনির নিয়োগের খবরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাবে বিশ্ব শেয়ার বাজারে বড় ধরনের ধস নেমেছে। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন, মোজতবার অধীনে ইরান আরও কঠোর নীতি গ্রহণ করতে পারে।
মোজতবা খামেনি দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী এবং তাদের বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের ওপর শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখেন। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মোজতবা খামেনিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে ঘোষণা দিয়েছেন এবং ইরানের কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের দাবি জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্পের এই অবস্থানকে উপেক্ষা করে ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা বাহিনী নতুন নেতার প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছে। রাজনীতিবিদ এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান তার প্রতি আনুগত্যের জোরালো প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সোমবার পরবর্তী সময়ে আনুগত্য প্রকাশের জনশোভাযাত্রার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা কাউন্সিল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে আমরা সর্বাধিনায়ককে মেনে চলব।’
উল্লেখ্য, এক সপ্তাহ আগে ইরানে চালানো এক বিমান হামলায় আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর এই নেতৃত্ব পরিবর্তন ঘটল।
তথ্য সূত্র:- রয়টার্স
