প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, বিগত ১৮ মাসে দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই তথ্য জানান। একইসঙ্গে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে ৯৫টিরও বেশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু থাকলেও দারিদ্র্য কাঙ্ক্ষিত হারে কমেনি। তিনি ঘোষণা করেন, নতুন ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে পরিবারের প্রধান নারী সদস্য প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন। এছাড়া কৃষকরা ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা পাবেন। তিনি বলেন, “ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক—এই দর্শন থেকেই ফ্যামিলি কার্ডের প্রবর্তন।”
টাকা পাচার রোধ ও স্থানীয় অর্থনীতি সচল করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রান্তিক নারী ও কৃষকরা এই টাকা বিদেশে পাচার করবেন না। তারা স্থানীয় বাজারে খরচ করবেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।” সরকার টাকা ছাপিয়ে এই বরাদ্দ দিচ্ছে না বলে মূল্যস্ফীতি বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলেও তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন।
পর্যায়ক্রমিকভাবে এই প্রকল্পের বাজেট ও আওতা বাড়ানো হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রান্তিক মানুষের জীবনে আমূল পরিবর্তন আসবে এবং তারা উন্নত জীবন পাবে।
