বাংলাদেশে একটি আধুনিক ড্রোন কারখানা স্থাপন করতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ তুরস্ক। দুই দেশের মধ্যকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আঙ্কারার পক্ষ থেকে ঢাকাকে এই নতুন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে তুর্কি ড্রোন কারখানা স্থাপিত হলে দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পে বড় ধরনের প্রযুক্তি হস্তান্তর (Technology Transfer) ঘটবে। এর পাশাপাশি ড্রোন প্রযুক্তিতে দক্ষ দেশীয় জনবল তৈরি হবে এবং বাংলাদেশ সামরিক ড্রোন উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পথে এগিয়ে যাবে। এই উদ্যোগ সশস্ত্র বাহিনীর দীর্ঘমেয়াদি আধুনিকায়ন পরিকল্পনা ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’-এর লক্ষ্য পূরণেও অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
অবশ্য সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ড্রোন কারখানা স্থাপনের এই বিষয়টি এখনও প্রাথমিক প্রস্তাব ও দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চূড়ান্ত কোনো চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে কি না, তা এখন পর্যন্ত সরকারি বা প্রকাশ্য কোনো মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়নি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্থানীয়ভাবে চালকবিহীন বিমান বা ড্রোন উৎপাদনের লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে একটি পৃথক প্রযুক্তি হস্তান্তরভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। চীনের সাথে চলমান এই প্রকল্পের মধ্যেই তুরস্কের পক্ষ থেকে আসা নতুন এই প্রস্তাব দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন ও বৈচিত্র্যময় মাত্রা যোগ করেছে।
