প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের ফুটবল খেলা এবং লন্ডনের বিখ্যাত ক্লাব চেলসির বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির অবসান ঘটিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। রোববার (২২ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করেন।
আমিনুল হক জানান, জাইমা রহমান লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে থাকাকালীন একজন দক্ষ গোলরক্ষক ছিলেন। তাঁর উচ্চতা এবং কিপিং দক্ষতার কারণে সে সময় চেলসির বয়সভিত্তিক দলে গোলরক্ষক হিসেবে খেলার প্রস্তাব এসেছিল। প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই তিনি জাইমার স্কুল পর্যায়ে গোলকিপিং করার কথা শুনেছিলেন।
নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে দেশের সাবেক এই কিংবদন্তি গোলরক্ষক বলেন, মিরপুরে ক্রিকেট খেলা চলাকালীন জাইমা রহমানের সঙ্গে তাঁর স্মৃতিচারণমূলক কথা হয়। সে সময় জাইমা তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, “আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম।” মূলত জাইমা স্কুল পর্যায়ে নিয়মিত খেলতেন এবং এই পজিশনে তাঁর বিশেষ দক্ষতা ছিল।
প্রতিমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, চেলসির মতো বড় ক্লাবের বয়সভিত্তিক দল থেকে প্রস্তাব এলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান তাঁদের মেয়েকে খেলাধুলার চেয়ে পড়াশোনায় বেশি মনোযোগী হতে পরামর্শ দেন। পরিবারের ইচ্ছায় জাইমা শেষ পর্যন্ত শিক্ষাজীবনকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ইউরোপে প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার অংশ হিসেবে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক, জাইমা রহমানের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তেমনই ছিল।
