পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন উত্তর ওড়িশা উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত শক্তিশালী মৌসুমি নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে অভ্যন্তরীণ ওড়িশা ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড এলাকায় অবস্থান করছে৷ আজ সোমবার (৬ জুলাই) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রকাশিত ৪ নম্বর বিশেষ সতর্ক বিজ্ঞপ্তিতে এই রানিং তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে৷
৪ বন্দরে সতর্কসংকেত ও সমুদ্রের পরিস্থিতি: আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে— স্থলভাগে অবস্থান করা এই মৌসুমি নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে৷ এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, সমুদ্রবন্দরসমূহ এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে যেকোনো সময় তীব্র ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে৷ এই বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে৷
একই সাথে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, যাতে সাগরে কোনো ধরণের আকস্মিক রানিং দুর্ঘটনা না ঘটে৷
৮ বিভাগেই বজ্রসহ ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস: এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সারা দেশের ২৪ ঘণ্টার সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী— আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে৷
একই সঙ্গে দেশের সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও রানিং পূর্বাভাসে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে৷ ভারী বৃষ্টির কারণে নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে বলে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে৷
