রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৭টি প্রধান জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ কালবৈশাখী টাইপের বৃষ্টি কিংবা তীব্র বজ্রবৃষ্টি বয়ে যেতে পারে বলে জরুরি পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর৷ একই সঙ্গে দেশের নদী অববাহিকার অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট সমস্ত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছে সরকারি সংস্থাটি৷
আবহাওয়ার জরুরি বুলেটিন ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার তালিকা: আজ সোমবার (২০ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে শুরু করে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য অফিশিয়ালি প্রকাশিত বিশেষ আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় এই সংকেত ও ঝোড়ো সতর্কতার তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে নিশ্চিত করা হয়৷
আবহাওয়া সতর্কবার্তায় বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে— রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে৷ সেই সঙ্গে এই কালবৈশাখী বাতাসের গতিবেগের কারণে উক্ত এলাকাগুলোতে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি অথবা বজ পাতসহ ভারী বর্ষণ হতে পারে৷
নৌ সতর্কসংকেত ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর তাদের বুলেটিনে জানিয়েছে— উল্লিখিত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ নদী পথগুলোতে আকস্মিক বাতাসের তীব্রতা বৃদ্ধি পেতে পারে৷ তাই সম্ভাব্য সব ধরনের নৌ দুর্ঘটনা ও ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি বিবেচনায় এনে দেশের উল্লিখিত ১৭ জেলার নদী বন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ সতর্ক সংকেত বহাল রাখতে কঠোরভাবে বলা হয়েছে৷ বিশেষ করে ছোট নৌযান, যাত্রীবাহী লঞ্চ ও মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে নদীর তীরঘেঁষে সাবধানে চলাচল করতে এবং অতিরিক্ত যাত্রী বহন থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ট্রাফিক ও নৌ পুলিশ প্রশাসন৷
