সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি নোমানুল হক নোমানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। একইসাথে কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়াকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ৪ মিনিট ৫ সেকেন্ডের একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে শোনা যায়, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি নোমান সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নে মাটি পরিবহনের জন্য রামপুর নাসির মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার তাহাদ ইফতুর কাছে ১৬ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করছেন।
অডিওতে নোমানকে বলতে শোনা যায়, “এগুলো পোলাপানের চা-নাশতার টাকা, সবাই দেয়।” ইলাশপুর সড়ক দিয়ে ৮ দিন গাড়ি চালাতে হলে এই টাকা দিতে হবে বলে তিনি জানান। জবাবে ইফতু বলেন, “নিজ দলের লোক হয়ে টাকা দিয়ে গাড়ি চালানো লজ্জার।” এক পর্যায়ে নোমান তাকে রাত ১০টার পর গাড়ি চালানোর পরামর্শও দেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে বহিষ্কৃত নেতা নোমানুল হক নোমান দাবি করেন, “ঘটনাটি মাসখানেক আগের। আমি চাঁদা চাইনি, বরং স্থানীয় ছেলেদের সাথে ইফতুর ঝামেলা মিটিয়ে দিয়েছিলাম। ইফতু নিজেই টাকা দিতে চেয়েছিল।” অন্যদিকে ইফতু অভিযোগ করেছেন, তাকে সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং টাকা না দিলে গাড়ি চলতে দেওয়া হবে না বলা হয়েছিল।
ফেনী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাহ উদ্দিন মামুন জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন এবং ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে মাহমুদুল হাসানকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
