ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি সম্প্রদায়ের সীমান্ত এলাকা লক্ষ্য করে লেবানন থেকে রকেট নিক্ষেপের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনার পর পরই সংশ্লিষ্ট এলাকায় জরুরি সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। তবে নিক্ষেপ করা রকেটগুলো ইসরায়েলের সীমানায় প্রবেশ করতে পারেনি, বরং লেবাননের নিজ ভূখণ্ডেই সেগুলো বিস্ফোরিত হয়েছে বলে জানা গেছে। কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
আজ রোববার (৩১ মে) ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, সীমান্ত পেরিয়ে সম্ভাব্য বড় ধরনের হুমকির আশঙ্কার কারণে সংশ্লিষ্ট উত্তরাঞ্চলীয় এলাকার বাসিন্দাদের অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে ইসরায়েলি স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলে প্রথাগত বিমান হামলার সতর্কসংকেত বা ‘এয়ার রেইড সাইরেন’ বাজানো হয়নি।
ইসরায়েলি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট নিউজ এই রকেট হামলার বিস্তারিত জানিয়ে বলেছে, সীমান্ত এলাকা থেকে বেশ কয়েকটি স্বতন্ত্র বা আলাদা আলাদা রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তবে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই, সেগুলোর সবকটি ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ডে পৌঁছানোর পূর্বে লেবাননের অভ্যন্তরীণ সীমানার ভেতরেই আকস্মিক বিস্ফোরিত হয়।
নিক্ষেপ করা এই রকেটগুলোর বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো পক্ষেই এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের হতাহত বা বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। এছাড়া, ঠিক কারা বা লেবাননের কোনো গোষ্ঠী এই রকেটগুলো নিক্ষেপ করেছে সে বিষয়েও এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি কিংবা লেবানন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তীব্র উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় পুরো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী। আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, শক্তিশালী প্রতিরোধ গোষ্ঠী হিজবুল্লাহই সরাসরি এ হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
