প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় জনমনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরেছে। এই স্বস্তি বজায় রাখতে এবং গুম-অপহরণমুক্ত সমাজ গড়তে পুলিশের ভূমিকা সর্বাধিক। আজ শনিবার (৯ মে) বিকেল ৬টা ১৭ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করে বলেন, “পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করতে পারে, তবে তাদের দায়িত্ব পালনের পথ সুগম হবে। বর্তমান সরকার একটি ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র গড়তে কাজ করছে। কিন্তু ঘরে-বাইরে নিরাপত্তা ও স্বস্তি না থাকলে এই লক্ষ্য অর্জন দুরূহ।” এ জন্য পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনাকেই এই মুহূর্তের বড় চ্যালেঞ্জ ও অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন তিনি।

তারেক রহমান পুলিশের আন্তর্জাতিক সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের অবদান বিশ্বে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। তবে পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। তিনি বলেন, “পুলিশের উন্নয়নে বিনিয়োগকে সরকার জননিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে।”

গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং এবং মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর ও সাহসী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং এমন নিরপেক্ষ কাজের পরিবেশ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

সবশেষে, পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক ও বর্তমান সকল সদস্যকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাহিনীর সার্বিক সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *