নোয়াখালীর হাতিয়ায় ‘ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ঘটনার তিন দিন পার হলেও এ নিয়ে থানায় বা আদালতে কোনো মামলা করা হয়নি। তবে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে পুলিশ। জিডির আলোকে ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে এ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী। ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া সাপেক্ষে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ কমিটি পরীক্ষার প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, পুলিশের চাহিদাপত্র ছাড়া আমরা ধর্ষণের ঘটনার অনেকগুলো পরীক্ষা করতে পারি না। সাধারণ ডায়েরির আলোকে পুলিশ চাহিদাপত্র দেওয়ায় আজ (সোমবার) তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বাকিগুলোর নমুনা সংগ্রহ করে কাজ চলছে। অতিদ্রুত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা হলেন, নোয়াখালী সদর হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. শিরিন সুলতানা, ডা. ফাতেমা জোয়ান মুনিয়া ও ডা. তাহমিনা আক্তার।
এদিকে ঘটনার তিন দিন পার হলেও এ বিষয়ে থানায় বা আদালতে কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।
হাতিয়া থানা পুলিশের ভাষ্য মতে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুপক্ষের হামলা ভাঙচুর ও পিটিয়ে আহত করার প্রমাণ পেলেও ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, আমরা এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে মামলা করে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগ না পেলেও তাকে সার্বক্ষণিক পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। থানায় জিডি করে হাসপাতালে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। সব আইনি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
