রাজধানীর শ্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবি, মব সৃষ্টি এবং চিকিৎসককে হেনস্তা করার অভিযোগে প্রধান অভিযুক্ত মঈন উদ্দিনসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। রোববার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, চাঁদাবাজি মামলার ১ নম্বর আসামি ও মূলহোতা মঈন উদ্দিনকে নড়াইল জেলার কালিয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মো. ফালান মিয়া (৪২), মো. রুবেল (৪২), মো. স্বপন কাজী (৩৬) এবং মো. শাওন হোসেনকে।
হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন একদল লোক নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করে কর্মীদের হুমকি দেন এবং নিয়ম ভেঙে জোরপূর্বক অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) ঢুকে পড়েন। এ সময় ওটি ইনচার্জ আবু হানিফকে শারীরিকভাবে হেনস্তাও করা হয়।
দেশজুড়ে সমাদৃত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম জানান, গত ৫ আগস্টের পর থেকে মঈন উদ্দিন নানাভাবে তাঁকে অতিষ্ঠ করে তুলেছিলেন। হাসপাতালে জোরপূর্বক মেডিকেল ইকুইপমেন্ট ও চাল সরবরাহ করার চেষ্টার পাশাপাশি ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। এমনকি কয়েক দফায় ৫০-৬০ জন লোক নিয়ে হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে চিকিৎসকের নামে কুৎসা রটানো হয়।
এই ঘটনায় শনিবার (১১ এপ্রিল) শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হলে র্যাব ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং আসামিদের আইনের আওতায় আনে।
