ইরানের ড্রোন হামলা মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচটি দেশে নিজস্ব প্রযুক্তির ইন্টারসেপ্টর ব্যবস্থা মোতায়েন শুরু করেছে ইউক্রেন। গুরুত্বপূর্ণ ও বেসামরিক অবকাঠামো রক্ষায় এই পদক্ষেপের পাশাপাশি ২০০-র বেশি সামরিক বিশেষজ্ঞ পাঠিয়েছে ভলোদিমির জেলেনস্কির সরকার। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইউক্রেনের নিরাপত্তা পরিষদের সচিব রুস্তেম উমেরভ গতকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) এক এক্স (টুইটার) বার্তায় জানান, ইউক্রেনীয় ইন্টারসেপ্টরগুলো বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের মূল অবকাঠামো সুরক্ষায় কাজ করছে এবং এর আওতা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি উল্লেখ করেন, ২০২২ সালে রাশিয়া যে ধরনের ইরানি ‘শাহেদ’ ড্রোন ব্যবহার করেছিল, বর্তমানে উপসাগরীয় দেশগুলোতেও একই ধরনের ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।
সাশ্রয়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা: বিশ্লেষকদের মতে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সৌদি আরব ও কুয়েত মূলত উচ্চ উচ্চতার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় শক্তিশালী হলেও নিচু উচ্চতার ড্রোন ঠেকাতে দুর্বল ছিল। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ব্যালিস্টিক প্রতিরক্ষা মিসাইল ছুঁড়তে প্রায় ১ কোটি ডলার খরচ হয়, সেখানে ইউক্রেনের একটি ইন্টারসেপ্টর ড্রোনের খরচ মাত্র ৩ হাজার ডলার।
সংঘাতের ২১তম দিন: ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত আজ ২১তম দিনে গড়িয়েছে। ইরানি রেড ক্রিসেন্টের তথ্যমতে, হামলায় ইরানে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৪৪ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২০৪ জন শিশু। অন্যদিকে লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে।
