মন্ত্রী জানান, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটিতে জেলা প্রশাসক, পরিবেশ অধিদপ্তর, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, GSB, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি থাকবেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপাররাও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
কমিটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে—নদী ভাঙন, পলি জমা, সীমান্ত পরিবর্তনের ঝুঁকি, পরিবেশ সুরক্ষা এবং নিরাপদভাবে পাথর উত্তোলনের প্রযুক্তিগত দিক পর্যালোচনা। একইসঙ্গে বিছানাকান্দি, সাদা পাথর ও ভোলাগঞ্জের মতো পর্যটন এলাকা সুরক্ষার বিষয়ও থাকবে।
তিনি জানান, ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া (ECA) ঘোষিত জাফলংসহ সংবেদনশীল এলাকাগুলো ইজারার আওতার বাইরে থাকবে। কমিটির প্রতিবেদন চলতি মাসের শেষে পাওয়ার পর জুনের প্রথম সপ্তাহে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে
