মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার মধ্যেই ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের বর্তমান প্রশাসন ওয়াশিংটনের সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী এবং তিনিও তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছেন।
রোববার (১ মার্চ) আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে ট্রাম্পের এই চাঞ্চল্যকর বক্তব্যের তথ্য উঠে আসে।
মার্কিন প্রভাবশালী সাময়িকী দ্য আটলান্টিক-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “ইরানের নতুন নেতৃত্ব আমাদের প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতে চায়। আমি তাদের সেই প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছি এবং কথা বলতে রাজি হয়েছি। খুব শীঘ্রই আমি তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসব।”
ইরানিদের পক্ষ থেকে আলোচনার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও ট্রাম্প মনে করেন, এটি অনেক আগেই করা উচিত ছিল। তিনি বলেন, “ইরানিদের আরও আগে এই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল। যা বাস্তবসম্মত এবং খুব সহজেই করা সম্ভব ছিল, সেটার জন্য তারা অনেক বেশি অপেক্ষা করে ফেলেছে।” তবে এই বহু প্রতীক্ষিত আলোচনা ঠিক কবে বা কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণ জানাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানের ক্ষমতার সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনার এই ইঙ্গিত মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় খামেনিসহ শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তাদের মৃত্যুর ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এই ‘আলোচনা’র বার্তা পুরো বিশ্বের নজর কেড়েছে।
