ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান গুটিয়ে নেওয়ার কথা বিবেচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইরানি তেলের ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক লক্ষ্য অর্জনের ‘খুব কাছাকাছি’ পৌঁছে গেছে। তবে শান্তি আলোচনার চেয়ে বরং শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমেই এই লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, “আমি কোনো যুদ্ধবিরতি করতে চাই না। যখন আপনি প্রতিপক্ষকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছেন, তখন যুদ্ধবিরতির প্রশ্নই আসে না।”
অন্যদিকে, যুদ্ধ শেষের কথা বললেও বাস্তবে রণপ্রস্তুতি আরও জোরদার করছে পেন্টাগন। সিবিএস নিউজের তথ্যমতে, ইরানে স্থলবাহিনী মোতায়েন এবং আড়াই হাজার নৌসেনা ও যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এমনকি ইরানের উপকূলীয় ‘খার্গ দ্বীপ’ দখল বা অবরোধ করার পরিকল্পনাও হোয়াইট হাউসের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দাবি করেছেন, তার দেশ শত্রুপক্ষকে ‘চরম নাস্তানাবুদ’ করে ছেড়েছে। হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য, যারা এই পথ ব্যবহার করে এর নিরাপত্তার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে। ন্যাটোর সমালোচনা করে ট্রাম্প তাদের ‘কাপুরুষ’ আখ্যা দিয়েছেন কারণ তারা এই জলপথ পুনুরুদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করেনি।
