দেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যগত তথ্য সংরক্ষণে সরকার ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।
ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত: প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার একটি জনমুখী ও আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালু হলে নাগরিকরা সহজেই তাদের স্বাস্থ্যের হালনাগাদ তথ্য জানতে পারবেন। এর ফলে একজন রোগী গ্রাম বা শহর যেখানেই চিকিৎসা নিন না কেন, চিকিৎসক কার্ডের মাধ্যমে দ্রুত রোগীর পূর্বের স্বাস্থ্য-বিবরণী জানতে সক্ষম হবেন, যা সঠিক চিকিৎসায় সহায়ক হবে।
থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিশেষ গুরুত্ব: থ্যালাসেমিয়াকে একটি জটিল বংশগত রক্তরোগ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ এই রোগের জিন-বাহক। তিনি ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’ নীতির ওপর জোর দিয়ে বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে, থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত বা জিন-বাহকদের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্কের ঝুঁকি নিয়ে সামাজিক সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান তিনি।
সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি চিকিৎসক, গণমাধ্যম এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান। থ্যালাসেমিয়া দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য— ‘আর আড়াল নয়: রোগ নির্ণয়হীনদের খুঁজে বের করি, অলক্ষ্যে থাকা রোগীদের সহায়তা করি’—এর সাফল্যও কামনা করেন তিনি।
