দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ৫ মামলার অভিযোগ; বিএনপি প্রার্থী জেবা আমিনার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জেবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব থাকা এবং নির্বাচনি হলফনামায় বিপুল সম্পদ ও ফৌজদারি মামলার তথ্য গোপনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মাসুদ মৃধা নামে এক ব্যক্তি নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, জেবা আমিনা করিম নামে ২০০৪ সালে তিনি ব্রিটিশ পাসপোর্ট পান, যা পরবর্তীতে নবায়ন করা হয়েছে। অভিযোগকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট হোসনে আরা জানান, জেবা আমিনা এখনও যুক্তরাজ্যের নাগরিক এবং স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে নিবন্ধিত। সংবিধানের ৬৬ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সংসদ সদস্য হওয়ার সুযোগ নেই।

অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, ঢাকার গুলশানে জেবা আমিনার সাতটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যা তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি। এছাড়া এসব সম্পদের বিপরীতে ৩২ লাখ টাকার বেশি হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে।

জেবা আমিনার বিরুদ্ধে প্রথম বিয়ে বলবত থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে, স্বাক্ষর জালিয়াতি এবং সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগে মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে বলে অভিযোগপত্রে জানানো হয়েছে।

এতসব অভিযোগ সত্ত্বেও আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জেবা আমিনা খানসহ বিএনপি মনোনীত ৩৬ নারী প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন খান। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। জেবা আমিনা খান নিজেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *