২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে বিশ্বজুড়ে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে তেহরান মেগা আসর থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে পারে – এমন গুঞ্জন উঠলেও এএফসি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ইরান ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।
সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরান বিশ্বকাপে আসতে পারে, তবে তাদের ‘জীবন ও নিরাপত্তা’ নিয়ে উদ্বেগ থাকতে পারে। এর জবাবে তেহরান কড়া বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিশ্বকাপ কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত আসর নয়; এটি ফিফার নিয়ন্ত্রিত আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের যোগ্যতায় ইরান বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে।
ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, সুপ্রিম লিডারকে হত্যার পর বর্তমান পরিস্থিতিতে ফুটবলারদের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে এএফসির সাধারণ সম্পাদক উইন্ডসর জন আশা প্রকাশ করেছেন যে ইরান খেলবে। তিনি বলেন, “ইরান এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ দল। আমরা চাই তারা খেলুক। এখন পর্যন্ত ফিফা বা এএফসির কাছে তারা নাম প্রত্যাহারের কোনো প্রস্তাব দেয়নি। বিষয়টি নিয়ে ফিফা সরাসরি তেহরানের সাথে যোগাযোগ রাখছে।”
যদি শেষ পর্যন্ত ইরান বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়, তবে ফিফার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। উইন্ডসর জন স্পষ্ট করেছেন যে, কোনো দল সরে দাঁড়ালে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী নতুন দল অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। তবে ফুটবলীয় স্বার্থে ইরান শেষ পর্যন্ত মাঠে নামবে বলেই এএফসি বিশ্বাস করে।
