যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আগামী মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ওয়াশিংটনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে যাচ্ছে লেবানন ও ইসরায়েলের প্রতিনিধি দল। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ অউনের বিশেষ আহ্বানে এই আলোচনায় সম্মত হয়েছে ইসরায়েল। তবে এই বৈঠকের আগেই কিছু কঠোর শর্ত ও রক্তক্ষয়ী হামলার খবর পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত স্পষ্ট জানিয়েছেন, তারা কেবল লেবানিজ সরকারের সাথেই আলোচনা করবে। সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সাথে কোনো ধরনের সংলাপে বসবে না তেলআবিব। ইসরায়েলের দাবি, হিজবুল্লাহ শান্তিচুক্তির পথে প্রধান বাধা এবং তারা ধারাবাহিকভাবে ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে ইসরায়েলের সঙ্গে বৈঠকের খবর ছড়িয়ে পড়লে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, বর্তমান সরকার জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব করছে না এবং তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
আলোচনার প্রস্তুতির মধ্যেই লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। লেবানিজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত বুধবারের বোমাবর্ষণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন ১ হাজার ২২৩ জন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, তাদের হামলায় অন্তত ১৮০ জন হিজবুল্লাহ যোদ্ধা নিহত হয়েছে।
আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে যুদ্ধবিরতির শর্ত নিয়ে আলোচনা হবে। দুই পক্ষ একমত হলে পরবর্তীতে সরাসরি আলোচনার দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে।
