স্মৃতির পাতায় ২০১৫ সাল ফিরে এলো ২০২৬ – এ। দীর্ঘ ১১ বছর পর আবারও ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে ওয়ানডে সিরিজে হারানোর গৌরব অর্জন করল বাংলাদেশ। রোববার (১৫ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিল মেহেদী হাসান মিরাজের দল।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় বাংলাদেশ। অভিষিক্ত ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের বিধ্বংসী ১০৭ রানের ওপর ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৯০ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা। তানজিদ তাঁর ১০৭ বলের ইনিংসে ৬টি চার ও ৭টি দৃষ্টিনন্দন ছক্কা মারেন। উদ্বোধনী জুটিতে সাইফ হাসানের (৩৬) সঙ্গে ১০৫ রান যোগ করে মজবুত ভিত গড়ে দেন তিনি। শেষ দিকে তাওহীদ হৃদয়ের অপরাজিত ৪৮ ও লিটন দাসের ৪১ রানের কল্যাণে ২৯১ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য পায় পাকিস্তান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চরম বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার আগুনে বোলিংয়ে মাত্র ১৭ রানেই ৩ উইকেট হারায় তারা। তাসকিন নিজের প্রথম দুই ওভারে সাহিবজাদা ফারহান ও মোহাম্মদ রিজওয়ানকে সাজঘরে পাঠান। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে এক পর্যায়ে ১০০ রানের আগেই ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান।
বিপর্যয়ের মুখে একাই লড়াই চালিয়ে যান সালমান আলী আগা। অভিষেক ম্যাচে সাদ মাসুদকে (৩৮) নিয়ে ৭৯ রানের জুটি গড়েন তিনি। সালমান তুলে নেন এক অসাধারণ সেঞ্চুরি। তবে দলীয় ২৭২ রানের মাথায় সেঞ্চুরিয়ান সালমানকে (১০৬) ফিরিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন তাসকিন। শেষ ওভারে শাহীন আফ্রিদি (৩৭) দুটি ছক্কা মেরে রোমাঞ্চ ছড়ালেও শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ২৭৯ রানে থামে পাকিস্তান।
বাংলাদেশের হয়ে ৪টি উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ। এছাড়া মুস্তাফিজুর রহমান ৩টি এবং নাহিদ রানা ২টি উইকেট শিকার করেন। অভিষেক সেঞ্চুরিতে ম্যাচের নায়ক নির্বাচিত হন তানজিদ হাসান তামিম।
