দেশে চলমান টিকার ঘাটতি এবং এর ফলে মারাত্মক রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে বেশ কয়েকবার সতর্ক করে দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ বাংলাদেশ। সংস্থাটির দাবি, বর্তমান সরকারের সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ৫ থেকে ৬টি চিঠি পাঠানোর পাশাপাশি অন্তত ১০টি বৈঠকে সম্ভাব্য টিকা সংকটের কথা জানানো হলেও আশানুরূপ সাড়া মেলেনি।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে রাজধানীর ইউনিসেফ কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স। সংবাদ সম্মেলনে দেশে বর্তমান টিকা সংকটের কারণ, সংকট কাটিয়ে উঠতে ইউনিসেফের ভূমিকা এবং ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি আর না তৈরি হয়—সেসব বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
রানা ফ্লাওয়ার্স সাংবাদিকদের বলেন, “টিকার মজুদ নিশ্চিত রাখা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার চাইলে নিজস্ব উদ্যোগে উন্মুক্ত টেন্ডার (Open Tender) পদ্ধতিতে সরাসরি টিকা কিনতে পারে। তবে এই উন্মুক্ত টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে টিকা সংগ্রহ করতে প্রায় এক বছরের মতো দীর্ঘ সময় লেগে যায়।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে ইউনিসেফের প্রতিষ্ঠিত ও দ্রুত সরবরাহ ব্যবস্থার মাধ্যমে অত্যন্ত কম সময়ে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত টিকা সংগ্রহ করা সম্ভব। দেশের শিশু ও সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে সরকারকে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
