জাতীয় সংসদে দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির নাম ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তালিকা প্রকাশ করেন।
অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শীর্ষ ২০ খেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:-
১- এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লি.
২- এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লি.
৩- এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাজট্রিজ লি.
৪- এস আলম কোল্ড রোলেড স্ট্রিলস লি.
৫- এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লি.
৬- বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লি. (বেক্সিমকো)
৭- বেক্সিমকো কমিউনিকেশনস লি.
৮- রংধনু বিল্ডার্স (প্রা.) লিমিটেড
৯- সোনালী ট্রেডার্স
১০- কেয়া কসমেটিকস লি.
১১- গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লি.
১২- চেমন ইস্পাত লি.
১৩- কর্ণফুলি ফুডস (প্রা.) লি.
১৪- ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাজট্রিজ লি.
১৫- সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি
১৬- দেশবন্ধু সুগার মিলস লি.
১৭- পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা কেরাণীগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট লি.
১৮- পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা জামালপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট লি.
১৯- প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লি.
২০- মুরাদ এন্টারপ্রাইজ।
অর্থমন্ত্রী জানান, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে বর্তমান সংসদ সদস্য ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। তবে আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা খেলাপি হিসেবে দেখানো সম্ভব হয়নি।
ঋণ আদায়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যেসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের বেশি, তাদের সঙ্গে প্রতি তিন মাস অন্তর বৈঠক করা হচ্ছে। এছাড়া শীর্ষ ২০ খেলাপির কাছ থেকে ঋণ আদায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মিত তদারকি এবং আইনি ব্যবস্থা জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
