লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আসন্ন ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় যুদ্ধবিরতির পথ বের হবে বলে জোরালো আশা প্রকাশ করেছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্তোনিও তাজানির সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রেসিডেন্ট আউন বলেন, লেবানন শত্রুতার অবসান এবং দক্ষিণাঞ্চলকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে সরাসরি আলোচনার জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই সমাধান একতরফা হতে পারে না। ইসরায়েলকে অবশ্যই আগ্রাসন বন্ধ করে আলোচনায় সাড়া দিতে হবে।
সরকারপ্রধান হিসেবে আউন উল্লেখ করেন, সশস্ত্র সংঘাতের চেয়ে কূটনৈতিক সমাধানই সর্বদা সর্বোত্তম পন্থা। তিনি ইসরায়েলের ধ্বংসযজ্ঞকে ব্যর্থ সমাধান হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, এই আলোচনা লেবানন রাষ্ট্র দ্বারাই পরিচালিত হবে, অন্য কোনো তৃতীয় পক্ষ দ্বারা নয়। এছাড়া অস্ত্র চোরাচালান রোধে রফিক হারিরি বিমানবন্দর ও সীমান্তগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সদর দপ্তরে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে এই সরাসরি আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হতে যাচ্ছে। এর আগে ‘ইসলামাবাদ সংলাপে’ ইরানের শর্তে যুদ্ধবিরতি থাকলেও ইসরায়েল তা মেনে নেয়নি। তেল আবিবের দাবি, লেবানন সরকারের সঙ্গে আলোচনায় তারা হিজবুল্লাহর বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করতে নারাজ।
বিশ্বের নজর এখন আগামীকালের ওয়াশিংটন বৈঠকের দিকে, যা এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে।
