ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া বা নতুন করে প্রভাব খাটানোর কোনো চেষ্টা হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে কাউকে খেলতে দেওয়া হবে না এবং ব্যাংকটিকে রক্ষায় বিরোধী দলের নেতা-কর্মীরা যেকোনো মুহূর্তে রাজপথে নামতে প্রস্তুত।
গতকাল [তারিখ যুক্ত করুন] এক বক্তব্যে বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন, সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হাতে পুনরায় ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ তুলে দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া চলছে। তিনি দাবি করেন, বিগত সরকারের সময় ইসলামী ব্যাংক থেকে অন্তত ৩৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। আবারও একই ধরনের অপচেষ্টার মাধ্যমে দেশের ব্যাংক খাতকে সংকটে ফেলার আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ইসলামী ব্যাংকের কোনো ক্ষতি হলে তা সরাসরি দেশের অর্থনীতিতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দেশ এভাবে চলতে পারে না।” জামায়াতে ইসলামী জনগণের স্বার্থে রাজপথে শক্ত অবস্থান নেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কোনো ‘অনুগত বিরোধী দল’ হিসেবে ভূমিকা পালন করবেন না।
দেশের সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, সংসদের ৩০০ সদস্য যদি একযোগে ও আন্তরিকভাবে সিদ্ধান্ত নেন, তবে দেশ থেকে চাঁদাবাজি সম্পূর্ণ বন্ধ করা সম্ভব।
বক্তব্যে দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন জামায়াত আমির। আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি ও হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে গ্যাসের মজুত দ্রুত কমে আসলেও নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সম্প্রতি জ্বালানির দাম কয়েক শ টাকা বাড়িয়ে নামমাত্র ৫০ টাকা কমানোকে তিনি ‘জাতির সঙ্গে উপহাস’ বলে আখ্যায়িত করেন।
