নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ১৫ জন কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ ও ‘প্রকৃতির বন্ধু’ গাছ তুলে দিয়ে এই জাতীয় কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, বিজয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় কৃষকদের অধিকার রক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রায় ৩০ লাখ কৃষক এই ডিজিটাল কার্ডের আওতায় আসবেন। কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, মোট তিনটি ধাপে (প্রাক-পাইলটিং, পাইলটিং ও দেশব্যাপী) এই প্রকল্প পূর্ণতা পাবে।
এই কার্ডধারী কৃষকরা সরকারিভাবে বিশেষ ১০টি সুবিধা পাবেন।
যার মধ্যে রয়েছে:-
১. ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ ও সেচ সুবিধা।
২. সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও স্বল্পমূল্যে যন্ত্রপাতি।
৩. সরাসরি সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা।
৪. মোবাইলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার দর।
৫. বিশেষ প্রশিক্ষণ ও ফসলের রোগ দমনের পরামর্শ।
৬. কৃষি বিমা এবং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি।
আজ সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে টাঙ্গাইলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। যাতায়াতে বিলম্ব হওয়ায় মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারতের সূচি পরিবর্তন করে তিনি সরাসরি সমাবেশস্থলে যোগ দেন। বিকেলে টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে কৃষিমেলা উদ্বোধন শেষে তিনি মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করবেন বলে জানা গেছে।
