রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়া ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর যাত্রীবাহী বাসটি প্রায় ৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাত ১২টার দিকে বিআইডব্লিউটিএ-এর উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র ক্রেন দিয়ে বাসটি পানির ওপর তোলা হয়।
রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ নিশ্চিত করেছেন যে, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই জন নারীর মরদেহ আগেই গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছিল। বাসের ভেতর থেকে আরও বেশ কিছু মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী বাসে থাকা অন্তত ৪০ জন যাত্রী পানির নিচে ছিলেন। এর মধ্যে মাত্র ৭ জন সাঁতরে পাড়ে উঠতে সক্ষম হন। বাকিদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা নিশ্চিত করতে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের ডুবুরি দল নিরলসভাবে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
বুধবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় পন্টুন থেকে ছিটকে নদীতে পড়ে যায়। এরপর থেকে ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ড এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা সম্মিলিতভাবে উদ্ধার কাজে অংশ নেন। রাতভর চলা এই অভিযানে বাসটি উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নিখোঁজদের সন্ধানে এখনো কাজ করছে ডুবুরিরা।
