রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়া ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর যাত্রীবাহী বাসটি প্রায় ৯০ ফুট পানির নিচে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে বুধবার (২৫ মার্চ) রাত বাড়ার সাথে সাথে ঝড় ও বৃষ্টি শুরু হওয়ায় উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকৃতদের মধ্যে দুই নারীকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত ঘোষণা করেছেন চিকিৎসক। নিহতরা হলেন – রেহেনা বেগম (৬০) ও মর্জিনা বেগম (৫৫)। এছাড়া ডা. নুসরাত (২৯) নামে এক নারী গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শরীফুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিআইডব্লিউটিএ-এর উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সাথে যৌথভাবে বাসটি উত্তোলনের চেষ্টা চালাচ্ছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন।
জানা গেছে, আজ দুপুরে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা বাসটিতে পথে আরও যাত্রী ওঠেন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় কয়েকজন যাত্রী বের হতে পারলেও বাকিদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ বাড়ছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার মাঝেও প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
