ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ আসন থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনয়ন পেয়েছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া তাঁর হলফনামা থেকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পদের এক চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া গেছে।
হলফনামা অনুযায়ী, ডা. মিতুর আয়ের একমাত্র উৎস চিকিৎসা পেশা। এ থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা, যা মাসিক হিসেবে মাত্র ২৫ হাজার টাকা। তবে এই স্বল্প আয়ের বিপরীতে তাঁর কাছে থাকা নগদ অর্থের পরিমাণ ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এছাড়া ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রয়েছে আরও ১ লাখ ৩৫ হাজার ৭৩৫ টাকা। সব মিলিয়ে তাঁর মালিকানায় থাকা মোট অর্থের পরিমাণ ২৯ লাখ ৭৫ হাজার ৭৩৫ টাকা।
হলফনামায় ডা. মিতু জানিয়েছেন, তাঁর কোনো নিজস্ব বাড়ি বা গাড়ি নেই। তবে উত্তরাধিকার সূত্রে তিনি ৩০ ভরি স্বর্ণের মালিক হয়েছেন।
ডা. মিতুর স্বামী মাহবুবুর রহমানও একজন চিকিৎসক। হলফনামায় তাঁর স্বামীর আয়ের নির্দিষ্ট উৎস উল্লেখ না থাকলেও মাহবুবুর রহমানের কাছে নগদ ৫৬ লাখ ৯৮ হাজার ২৪ টাকা আছে বলে জানানো হয়েছে। তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা আছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৮৯ টাকা।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, ৩ লাখ টাকা বার্ষিক আয়ের বিপরীতে ডা. মিতু ‘শূন্য’ আয়কর জমা দিয়েছেন। রিটার্নে তিনি নিজের মোট সম্পদ দেখিয়েছেন ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। অন্যদিকে, তাঁর স্বামীর বার্ষিক আয় ৮ লাখ ৬৪ হাজার ৮১৪ টাকা দেখানো হলেও মোট সম্পদ দেখানো হয়েছে প্রায় ৫৭ লাখ টাকা। তাঁর স্বামী বাৎসরিক ৩৩ হাজার ৭২২ টাকা আয়কর প্রদান করেছেন।
সংরক্ষিত আসনের এই প্রার্থীর আয়ের তুলনায় বিপুল নগদ অর্থের এই হিসাব এখন স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
