দুইদিন আগেই ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য ব্রাজিলের প্রাথমিক দলে জায়গা পেয়েছেন নেইমার জুনিয়র। সেই আত্মবিশ্বাসের ছাপ এবার ফুটে উঠল তাঁর মাঠের পারফরম্যান্সে। টানা তিন ম্যাচে জয়হীন থাকা সান্তোস এফসি-কে জয়ের ধারায় ফেরাতে ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন খোদ নেইমার। তাঁর করা গুরুত্বপূর্ণ এক গোলে ব্রাগান্তিনোকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে সান্তোস।
নিজেদের মাঠে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল সান্তোস। পুরো ম্যাচের ৫৭ শতাংশ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রেখে প্রতিপক্ষের গোলবার লক্ষ্য করে তারা ১০টি শট নেয়। অন্যদিকে, ব্রাগান্তিনো ৪৩ শতাংশ সময় বল দখলে রাখলেও সান্তোসের রক্ষণভাগ ভাঙতে ব্যর্থ হয়।
ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে। সতীর্থ গ্যাব্রিয়েল বোন্টেম্পোর নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন নেইমার। এই লিড নিয়ে বিরতিতে যায় সান্তোস। দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধারা বজায় রেখে ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অ্যাডোনিস ফ্রাইয়াস। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নেইমাররা।
এই গুরুত্বপূর্ণ জয়ের পর ১৫ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১৫ নম্বরে উঠে এসেছে সান্তোস। সমান ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে অবস্থান করছে ব্রাগান্তিনো। বর্তমানে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে পালমেইরাস।
টানা হার ও ড্রয়ের পর নেইমারের এই ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ও দলের জয় সমর্থকদের মনে নতুন করে বিশ্বকাপ উন্মাদনা ছড়িয়ে দিয়েছে।
