জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গণভোটসহ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল করার প্রস্তাব দিয়েছে সরকার পক্ষ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
হাসনাত আবদুল্লাহর পোস্ট অনুযায়ী, সরকার পক্ষ থেকে বাতিল প্রস্তাব করা অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে—জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ, ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশ।
এদিকে, দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট ও জনভোগান্তি নিয়ে জাতীয় সংসদে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। এক সম্পূরক প্রশ্নে তিনি বলেন, “মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা মন্ত্রীর আশ্বাসের চেয়ে ভিন্ন। সিলেটে পাম্প বন্ধ হওয়ার ফলে রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে এবং শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।”
জবাবে জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু দাবি করেন, তেলের সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। পরিস্থিতির জন্য ‘প্যানিক বায়িং’ বা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনাকে দায়ী করে তিনি বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকেন্দ্রিক উত্তেজনার পর বাজারে তেলের চাহিদা অস্বাভাবিক বেড়েছে। যে তেল বিক্রি হতে দুই দিন লাগত, তা এখন দুই ঘণ্টাতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।” তিনি জানান, প্রতিদিন প্রতিটি পাম্পে নির্ধারিত পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
