ইরান – যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের বিস্তৃতি ঘটার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ব তেলের বাজারে। সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ২০২২ সালের জুলাই মাসের পর সর্বোচ্চ রেকর্ড। মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সরবরাহ হ্রাস এবং হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল দীর্ঘস্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় এই নজিরবিহীন মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে।
যুদ্ধ পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্য থেকে পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। এর আগে কাতার তাদের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দেওয়ার পর এবার ইরাক ও কুয়েতও তেল উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরির শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি সরবরাহ রুট ‘হরমুজ প্রণালী’ দিয়ে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার ভয় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চরম অস্থিরতা তৈরি করেছে। যুদ্ধের তীব্রতা বাড়লে তেলের দাম আরও কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতে।
