নাটক, রোমাঞ্চ আর শেষ মুহূর্তের উত্তেজনায় নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। ইংলিশদের এই নাটকীয় জয় কেবল তাদেরই শেষ চারে পাঠায়নি, বরং খাদের কিনারায় থাকা পাকিস্তানের সেমিফাইনালের ক্ষীণ স্বপ্নকেও বাঁচিয়ে রেখেছে।
রাচিনের ঘূর্ণিতে কিউইদের দাপট কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য শেষ ৬ ওভারে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ৬৩ রান। এই কঠিন সমীকরণে নিউজিল্যান্ডকে ম্যাচে ফেরান রাচিন রবীন্দ্র। বাঁহাতি এই স্পিনার স্যাম কারান ও থিতু হওয়া ব্যাটার টম ব্যান্টনকে দ্রুত ফিরিয়ে দিলে চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড। তখন মনে হচ্ছিল, ম্যাচটি কিউইদের পকেটেই যাচ্ছে।
জ্যাকস-রেহানের অবিশ্বাস্য ব্যাটিং শেষ ৩ ওভারে ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩ রান। চাপের মুখে উইকেটে দাঁড়িয়ে যান উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ। গ্লেন ফিলিপসের করা এক ওভারেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। সেই ওভারে রেহানের এক ছক্কা আর জ্যাকসের দুই চার ও এক ছক্কায় মোট ২২ রান তোলে ইংল্যান্ড।
পরের ওভারে কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনারের ওপর চড়াও হন তারা, আসে আরও ১৬ রান। ফলে শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ৫ রান, যা প্রথম তিন বলেই তুলে নেন তারা।
সেমিফাইনালের সমীকরণ এই জয়ের ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সেমিফাইনালে পা রাখল ইংল্যান্ড। শেষ চারে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ ভারত অথবা ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের এই জয়ে বিশ্বকাপ থেকে নিউজিল্যান্ডের বিদায় প্রায় নিশ্চিত হলেও পাকিস্তানের জন্য আশার আলো টিমটিম করে জ্বলছে। তবে বাবর আজমদের জন্য সেমির পথ এখনো অনেক ‘যদি-কিন্তু’র ওপর নির্ভর করছে।
