ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এর চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সালাম পারভেজ ফকিরের জানাজা ও দাফন আজ সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের নিকরাইল পলশিয়া রানী দিনমণি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে নিকরাইলের নলুয়া কবরস্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্ধারিত স্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
জানাজার আগে মরহুমের স্মৃতিচারণ করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, “মরহুম সালাম পারভেজ ফকির আমার চাচা হলেও ছিলেন বন্ধুর মতো। তিনি ’৭১-এর সূর্যসৈনিক। বাল্যকাল থেকে আমরা একসঙ্গে বড় হয়েছি। তাঁর সঙ্গে আমার শৈশবের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজকের বাংলাদেশ পেয়েছি, তিনি তাঁদেরই একজন। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। আমরা সবাই একদিন চলে যাব। তাঁর আত্মার মাগফেরাতের জন্য আমি সকলের কাছে দোয়া চাই।”

জানাজায় টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামান শাহীন, টাঙ্গাইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব হাসান, ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম রেজাউল করিম, উপজেলা বিএনপি সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু, ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপি সভাপতি অধ্যক্ষ এম আজিজুর রহমানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
উল্লেখ্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা সালাম পারভেজ ফকির উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মন্তব্য করুন