৩ সন্তান নিয়ে বড়ই অসহায় নোয়াখালীর বিধবা নারী খাদিজা আক্তার। টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে বড় ছেলে সাজ্জাদুর রহমানের পড়ালেখা। অন্যদিকে হিফজ বিভাগের পড়ুয়া মেয়ে সাজেদা আক্তারের লেখাপাড়াও বন্ধের উপক্রম হয়েছে। দুই বেলা দুই মুঠো ভাত খাওয়া যেখানে কষ্টকর, সেখানে তিনি কোথা থেকে সন্তানের পড়ালেখার খরচ বহন করবেন?
জেলা সদর উপজেলার চর মটুয়া ইউনিয়নের জগতপুর গ্রামের মাওলানা মো. রহমানের সাথে বেগমগঞ্জ উপজেলার নরোত্তমপুর গ্রামের খাদিজা আক্তারের বিয়ে হয় ২০০৭ সালে। এর মধ্যে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর মাওলানা মো. রহমান স্ট্রোক করে মারা যান। বসতভিটা ছাড়া তাদের আর কিছুই নেই। তাদের ৩ সন্তান; প্রথম সন্তান সাজ্জাদুর রহমান মাদরাসায় সপ্তম শ্রেণীতে পড়তো, কিন্তু টাকার অভাবে তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে। মেয়ে সাজেদা আক্তার স্থানীয় উদয়হাট আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা মাদরাসায় হিফজ বিভাগের ছাত্রী। কিন্তু টাকার অভাবে তার লেখাপাড়াও বন্ধের উপক্রম।
খাদিজা আক্তার এই প্রতিবেদককে জানান, তার বসতভিটা ছাড়া আর কিছুই নেই। আত্মীয়-স্বজনরা কিছু দিলে খাওয়া হয়, না হলে না খেয়ে থাকতে হয়। হিফজ বিভাগের পড়ুয়া সাজেদা আক্তার মাদরাসার আবাসিক ভবনে থাকলে প্রতিমাসে ২ হাজার টাকা খরচ হতো। কিন্তু দুই বেলা দুই মুঠো ভাত খাওয়ারই কষ্ট, তাই সাজেদাকে আর আবাসিক রাখা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে বাড়ি থেকে যাতায়াত করে সে পড়াশোনা করছে, এতে তার পড়াশোনা পিছিয়ে পড়ছে। এছাড়া মাদরাসার বেতনের টাকাও বকেয়া পড়ে গেছে।
অসহায় এতিম পরিবার ও হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী সাজেদাকে সহায়তায় কি আপনারা এগিয়ে আসবেন?
খাদিজা আক্তার তার এতিম তিন সন্তানের জন্য দেশের মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
সাহায্য পাঠানোর জন্য বিকাশ: ০১৮১০৬১০৪১১
আর/কে
মন্তব্য করুন