কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মনিপুরঘাট এলাকায় অবস্থিত আবু সাঈদ হোমিও হল অ্যান্ড হিজামা থেরাপি সেন্টারের মাধ্যমে প্রায় ৫০০ শিশুর সুন্নতে খতনা সম্পন্ন করেছেন ডা. মোহছেনুল হোসেন। ‘এল ইসলাম’ পদ্ধতিতে এসব খতনা সম্পন্ন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। কয়েকজন অভিভাবক দাবি করেছেন, খতনার পর তাঁদের শিশুরা তিন দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে। তবে এটি অভিভাবকদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও বক্তব্য; চিকিৎসাগতভাবে সবার ক্ষেত্রে একই ফল হবে কি না, তা নিশ্চিত নয়।
সুন্নতে খতনা মুসলিম পরিবারের শিশুদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুশীলন। এ সেবাকে ঘিরে অভিভাবকদের মধ্যে চিকিৎসাপদ্ধতি, ব্যথা নিয়ন্ত্রণ এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, অভিনব এ পদ্ধতিতে ইতোমধ্যে প্রায় ৫০০ শিশুর খতনা সম্পন্ন হয়েছে। তবে তিন দিনের মধ্যে সুস্থ হওয়ার দাবিগুলো অভিভাবকদের বক্তব্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে। চিকিৎসাবিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ হওয়ার সময় শিশুর বয়স, শারীরিক অবস্থা, খতনার পদ্ধতি, সংক্রমণের ঝুঁকি এবং চিকিৎসা-পরবর্তী পরিচর্যার ওপর নির্ভর করতে পারে। তাই এ দাবি যাচাই করতে শিশুদের চিকিৎসা-নথি, ফলোআপ তথ্য, জটিলতার হার এবং দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
শিশুদের খতনার ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের মাধ্যমে নিরাপদ ও জীবাণুমুক্ত পরিবেশে চিকিৎসা, ব্যথা নিয়ন্ত্রণ এবং পরবর্তী পরিচর্যা নিশ্চিত করা জরুরি। অভিভাবকদেরও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুর যত্ন নেওয়া এবং কোনো জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত। চিকিৎসাবিশেষজ্ঞরা বলেন, রক্তপাত, অতিরিক্ত ব্যথা, জ্বর, ফোলা বা ক্ষতস্থানে পুঁজ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।
আর/কে
মন্তব্য করুন