দেশের বাজারে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বিশ্ববাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সব ধরনের স্বর্ণের দামে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর ২০২৬) থেকে এই নতুন দাম সারা দেশে কার্যকর করা হয়েছে। যার ফলে আজ রোববার (১১ অক্টোবর ২০২৬) ছুটির দিন ও সপ্তাহের শুরুতে নতুন নির্ধারিত চড়া দামেই দেশের জুয়েলারি মার্কেটগুলোতে স্বর্ণ বেচাকেনা চলছে।
স্বর্ণের নতুন নির্ধারিত দাম (প্রতি ভরি ১১.৬৬৪ গ্রাম):
২২ ক্যারেট সোনা: প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা।
২১ ক্যারেট সোনা: এই মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা।
১৮ ক্যারেট সোনা: প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা।
সনাতন পদ্ধতির সোনা: এই পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।
দাম কমানোর কদিনের মধ্যেই ফের বৃদ্ধি:
এর আগে গত ৫ অক্টোবর বাজুস এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমিয়েছিল। সে সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা, ২১ ক্যারেটের সোনা ১ হাজার ৫৭৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের সোনা ১ হাজার ৩৪১ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে মাত্র চারদিনের ব্যবধানে ৯ অক্টোবর ফের দাম বাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে বাজুস।
স্বর্ণের এই ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে সাধারণ ক্রেতা ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জন্য অলংকার কেনা আরও বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
আর/কে
মন্তব্য করুন