সাদিকুল ইসলাম আবির- নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি।
নেত্রকোনা সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ আবু সায়েমের নিয়োগ প্রক্রিয়া ও পরবর্তী সময়ে সরকারি চাকরিতে আত্তীকরণের বৈধতা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বেসরকারি কলেজে তাঁর নিয়োগের সময় প্রচলিত নিয়োগবিধি ও প্রতিযোগিতামূলক বাছাই প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে নেত্রকোনার মদন উপজেলার হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজে দর্শন বিভাগের প্রভাষক পদে মোহাম্মদ আবু সায়েম নিয়োগ পান। তাঁর নিয়োগের সময় লিখিত পরীক্ষা যথাযথভাবে নেওয়া হয়েছিল কি না এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান অনুসরণ করা হয়েছিল কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে তাঁর বেসরকারি পর্যায়ে নিয়োগের পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে কলেজটি জাতীয়করণের পর সরকারি চাকরিতে আত্তীকরণের প্রক্রিয়াও পর্যালোচনার দাবি জানানো হয়েছে।
অভিযোগকারীদের আরও দাবি, ২০১৩ সালে কলেজটি জাতীয়করণ হওয়ার পর আত্তীকরণের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। পরবর্তীতে তিনি নেত্রকোনা সরকারি মহিলা কলেজে বদলি হন এবং সম্প্রতি নেত্রকোনা সরকারি কলেজে বদলি করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে প্রভাষক মোহাম্মদ আবু সায়েমের বক্তব্য ভিন্ন। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট নিয়োগে দুটি পদের বিপরীতে ১৩ জন প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১১ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। পরবর্তীতে তিনি ও আরেকজন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁর দাবি, নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছিল।
অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছেও লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে বিষয়টির প্রকৃত তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন
মন্তব্য করুন